দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা
"দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা" এই পোস্টে বিস্তারিত উল্লেখ করা হবে। তাই আপনি যদি কচু শাক খাওয়া সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক "দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা"।
কচুর শাক অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। কচুর শাক বাংলাদেশের একটি পরিচিত শাক । প্রতিবারের মতো আজকে আরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। টাইটেল দেখে অনেকে হয়তো বুঝে গেছেন আজকে আপনাদের মাঝে কোন বিষয় নিয়ে লিখতে যাচ্ছি। আজকের বিষয় হল "দাঁত হাড় চোখর সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা"। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির আশেপাশে জমিতে রাস্তার আশেপাশে প্রচুর কচুর শাক জন্ময়। এছাড়াও গ্রামের অনেকেই কচু শাক বা কচু চাষ করে।
পেজ সূচিপত্র: দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা
- ভূমিকাঃ দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা
- কচু শাকের পুষ্টি গুনাগুন
- কচু শাকের উপকারিতা
- কচু শাকের অপকারিতা
- কচুর লতি খাওয়ার উপকারিতা
- গর্ভাবস্থায় কচু শাক খাওয়ার উপকারিতা
- কচু শাকে কি ভিটামিন আছে
- কচু শাক খেলে কি এলার্জি হয়
- দুধ কচুর উপকারিতা
- কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে কচু শাক
- কচুর মুখি খেলে কি হয়
- শেষ কথাঃ "দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা"
ভূমিকাঃ দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা
কচু এমন একটি সবজি যার সবকিছু তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। কচু গাছের লম্বা ডগা, পাতা, শাক, আবার কচুর মূল মুখি বা মোড়া, মাছ মাংসের সাথে ও শুটকির সাথে তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। মোট কথা কচু গাছের এমন কোন অংশ নেই যা খাওয়া যায় না। সমগ্র অংশ রান্না করে খাওয়া যায়। যা পুষ্টিকর এবং মানব দেহের জন্য পুষ্টির গুনাগুন সম্পন্ন ও রোগ প্রতিরোধক। কচু শাকে আছে প্রোটিন, চর্বি ,ক্যালসিয়াম, শর্করা, আয়রন, খাদ্য শক্তি, ভিটামিন এ, বি৬ ও সি। সাধারণত কচুর ডগা এবং কালো রঙ্গের কচুর সাথে আয়রন প্রচুর পরিমাণে থাকে। রক্তশূন্যতা ভোগা রোগীদের জন্য কচু শাক খাওয়া খুবই উপকারী।
বাঙালির কাছে কচুর শাক যে কতটা জনপ্রিয় তা আর আলাদা করে বলার কিছুই নেই। কচুর শাক এবং কচুর লতিতে থাকে ডায়েটারি ফাইবার, যাতে অসংখ্য পুষ্টির উপাদান রয়েছে। তবে বাংলাদেশে এখন কচুশাক একটু অবহেলিত হয়ে গেছে। খুবই কমই খাওয়া হয়ে থাকে। কচু ও বহু জাতের রয়েছে, কিছু কিছু কচু বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে, যা যত্নের সাথে চাষ করতে হয়। তবে সবজি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও অনেকে আবার কিছু কিছু প্রজাতির কচুকে টবে ও বাগানে চাষ করে থাকে সৌন্দর্যের জন্য।
কচু শাকের পুষ্টি গুনাগুন:
কচুর শাকের সব অংশই খাওয়া যায়। সবকিছুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, এসব পুষ্টিগুলো অন্যান্য সকল খাবারে পাওয়া যায়না। কচু শাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, ফ্যাট, ডায়েটারি ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, শর্করা বিভিন্ন ধরনের খনিজ উপাদান ও ভিটামিন। আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কচুশাক দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ও সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কচুশাক দুই ধরনের হয়ে থাকে।(১) সবুজ শাক (২) কালো কচু শাক
প্রতি ১০০ গ্রাম সবুজ কচু শাকে থাকে।
৬.৮ গ্রাম শর্করা
৩.৯ গ্রাম প্রোটিন
১০ মিলিগ্রাম লৌহ
০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১
০.২৬ মেলিগ্রাম ভিটামিন বি২
১.৫ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি
২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম
৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্য শক্তি
প্রতি ১০০ গ্রাম কালো কচুর শাকে থাকে।
৮.১ গ্রাম শর্করা
৬.৮ গ্রাম প্রোটিন
৩৮.৭ মিলিগ্রাম লৌহ
০.০৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১
০.৪৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি ২
৬৩ মেলিগ্রাম সি
২.০ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি
৪৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম
৭৭ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি।
কচু শাকের উপকারিতা:
কচুর উৎপত্তি ভারতীয় দ্বীপুঞ্জসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। জানা যায়, প্রায় দুই হাজার বছর আগেও কচুর চাষ হতো বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কচুর বহুভেষজ আয়ুর্বেদীয় গুনাগুন রয়েছে। বনে জঙ্গলে যেসব কচু আপনা আপনি জন্মায় সেগুলোকে বুনো কচু বলা হয়। এই বুনো কচু খাওয়া উপযোগী নয়। খাবার উপযোগী জাত গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মুখি কচু, পানিকচু, পঞ্চমুখী কচু, দুধ কচু, মান কচু ইত্যাদি।
কচু শাকের উপকারিতা সমূহ হলো:
১. কচুর শাকে সবচেয়ে উপকারিতা হলো এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস। যা আমাদের দাঁত ও হাড়ের গঠনের জন্য কোন তুলনা নেই। নিয়মিত খাবারে কচুর শাক রাখলে দাঁত ও হাড় ভালো থাকে।
২. কচুর শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় রাতকানা রোগ, চোখে ছানি পড়া সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক সহ দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ। তাই অবশ্যই নিয়মিত খাবারে কচু শাক খাওয়া উচিত।
৩. গরমের সময় কচুর ডাটা রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতির পরিমাণ পূরণ করে দেয়।
৪. কচুর লতিতে চিনির পরিমাণ কম থাকে, তাই ডায়াবেটিস রোগী নিশ্চিন্তে খেতে পারে।
৫. কচু শাকের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন থাকায় এটি আমাদের রক্তশূন্যতা থেকে রক্ষা করে। এর জন্য রক্তশূন্যতা রোগীদের কচু শাক খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৬.কচু শাকে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
৭. কচু শাক খেলে রক্তের কোলেস্টেরল কমে, তাই হাই ব্লাড প্রেসার রোগীদের জন্য কচু শাক অনেক উপকারী।
৮. কচুর শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা খাবারকে খুব সহজে হজম করতে সাহায্য করে।
৯. গর্ভবতী মহিলার আয়রনের চাহিদা পূরণের জন্য কচুর শাকে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান বিদ্যমান থাকায় গর্ভবতী মা এবং শিশুর জন্য অনেক উপকারী।
১০. যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত কচু শাক খেতে পারেন । এতে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হবে।
কচু শাকের অপকারিতা:
কচু শাক যেমন আমাদের শরীরের জন্য উপকারি তেমনি আমাদের শরীরের জন্য অপকার ও ডেকে আনে। কচুর শাকে উপকার বেশি কিন্তু অপকার কম হলেও আমাদের সতর্ক থাকা দরকার।
১. কচুর শাক খেলে অনেকের অনেক সময় গলা চুলকায়, যাদের শরীরে এ্যালার্জি বেশি তাদের কচু শাক না খাওয়াই ভালো। কারণ কচুতে থাকা অক্সালেট নামক উপাদান এলার্জি সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
২. কচু শাক খেলে অনেক সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা দেখা দিতে পারে গ্যাস্টিক। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি তারা কচু শাক থেকে দূরে থাকা ভালো।
৩. কচুর সাথে অক্সালিক এসিড থাকে, যা কচু শাক বেশি খাওয়ার মাধ্যমে পেটে অসুস্থতা বা এসিডিটি সমস্যা দেখা দেয়।
কচুর লতি খাওয়ার উপকারিতা:
বাঙ্গালীদের একটি সবচেয়ে পরিচিত সবজির নাম কচুর লতি। কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি গুনাগুন, যা অনেক রোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। কচুর লতি খেলে অনেকের গলা চুলকায়, এ ছাড়া লতিতে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।
১. যাদের রাতকানা রোগ রয়েছে বা বয়সের সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে আসে, রাতে ভালো করে দেখতে পান না, কচুর লতি খাওয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা কমে আসে।
২. কোলেস্টেরলের রোগীদের জন্য কচুর লতি অনেক উপকারী। নিয়মিত লতির তরকারি খাওয়ার মাধ্যমে এটি রক্তের কোলেস্টরের মাত্রা কমিয়ে আনে।
৩. লতিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা, সংক্রমণ রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখে।
৪.কচুর লতিতে থাকা বিদ্যমান আয়োডিন দাঁত ও হাড় এবং চুলকে মজবুত করতে সহায়তা করে।
গর্ভাবস্থা কচু শাক খাওয়ার উপকারিতা:
গর্ভাবস্থায় কচুর শাক খুবই উপকারী সবজি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য গর্ভাবস্থায় বেশি বেশি পুষ্টিকর উপাদান খেতে বলে ডাক্তার। সেদিকে বিবেচনা করলে দেখা যায়, কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে, যা কিনা বাচ্চা ও মা উভয়ের জন্য অনেক উপকারী।
১. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে। যা বাচ্চার দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে।
২. কচুর শাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, ফলে বাচ্চার হাড় ও দৈহিক গঠনে সহায়তা করে।
৩. গর্ভাবস্থায় প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির প্রয়োজন হয়। কচুর শাক হল সেই উপাদান যাতে সকল গুন পাওয়া যায়। আর কচুর শাক হাতের নাগালে কম মূল্যে পাওয়া যায়, তাই সবাই এটি খেতে পারে।
৪. গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতির পূরণের জন্য কচু শাক অপরিহার্য। রক্তস্বল্পতা এই সময় একটি বড় সমস্যা, যা আমরা সহজেই কচুর শাক খাওয়ার মাধ্যমে সমাধান করতে পারি।
৫. বাচ্চার জন্মের পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত দুধ না পেলেও এই ক্ষেত্রে প্রচুর শাক খাওয়ার মাধ্যমে দুধের পরিমাণ বেড়ে যায়।
কচুর শাকে কি ভিটামিন আছে:
কচুর শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি ও ক্যালসিয়াম আয়রণসহ অন্যান্য পুষ্টিগুন, যা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রোগ প্রতিরোধ করতে কচুর শাকের কোনো তুলনা নেই। কচুর শাকে ভিটামিন এ থাকায় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করতে ও সহায়তা করে। কচুতে রয়েছে আয়রন, যা রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
কচু শাকে কি এলার্জি হয়:
কচু শাক খেলে অনেকের গলা চুলকায়, অনেকের চোখ চুলকায়, আবার অনেকের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চুলকায়। এই সমস্যা গুলো মূলত যাদের আগে থেকে এলার্জির সমস্যা থাকে তাদের বেশি হয়ে থাকে। কচুর শাকে অক্সালেট নামক উপাদান থাকে, যা এলার্জি সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। তাই যাদের আগে থেকে এলার্জি সমস্যা রয়েছে, তাদের কচু শাক খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যকর হবে না।
দুধ কচুর উপকারিতা:
জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য দুধ কচু খুবই উপকারী। যদি কোন ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হয়, জ্বরের সময় রোগীকে দুধকচু রান্না করে খাওয়ালে অনেক দ্রুত জ্বর কমে যাবে। কচুতে থাকা ফোলেট, ফাইবার ও থায়ামিন, যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তাছাড়া কোলেস্টেরল কমে কচু খেলে। এমনকি কচু খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে কচু শাক:
কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের যারা এই সমস্যা আছে তারা প্রচুর পরিমাণে কচুর শাক খেতে পারেন। কচুতে রয়েছে অনেক আঁশ, যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীদের জন্য কচু শাক খাওয়া একরকম আবশ্যক। সারা দেহে অক্সিজেনের সরবরাহ বজায় রাখতে কচু শাকের তুলনা নেই। ফলে আপনাদের সমস্যা সমাধান হতে পারে।
কচুর মুখী খেলে কি হয়:
এক কাফ কচি মুখি খেলে আমাদের দৈনিক চাহিদার ভিটামিন সি এর ১১% পূরণ করতে পারে। শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে এই কচুর মুখী। ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।
শেষ কথাঃ "দাঁত হাড় চোখের সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা"
আজকে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলো তা হলো "দাঁত হাড় চোখর সুস্থতায় কচু শাকের ১০ উপকারিতা"। আশা করি আজকের এই বিষয়গুলো অনেক উপকারে আসবে। কচুশাক আমরা খুব সহজে পেয়ে থাকি। কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আজকের পোস্টের মাধ্যমে কচুর শাকের উপকারিতা, অপকারিতা, গর্ভাবস্থায় কচু শাক খাওয়ার উপকারিতা, কচু শাকের পুষ্টি গুনাগুন ও আরো উপাদান সহ অনেক কিছু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি, যা পড়ে কচুর শাক সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আশা করি পোস্টটি পড়ে উপকৃত হবেন এবং পোস্টটি ফেসবুকে শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিবেন।
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url